যেভাবে অপ্টিমাইজিসন আর্টিকেল লিখবেন
seo optimized articles
আমাদের সর্বপ্রথম নজর দিতে হবে ওয়েবসাইটের আর্টিকেলের দিকে।যদি আমরা আমাদের ওয়েবসাইটটিকে গুগলে ভালো পজিশনে রাঙ্ক করাতে চাই । তাই আমাদের কীভাবে একটি এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল লিখতে হয় না জানা অতীব জরুরী।
একটি অপ্টিমাইজড আর্টিকেল এসইও রাঙ্কিং এর ৮০% কাজ করে দেয়।একটি ফালতু/কপি/লো-কোয়ালিটি আর্টিকেল বিপরীতক্রমে ওয়েবসাইটের উপর যথেষ্ট বিরূপ প্রভাব ফেলে যা পরবর্তিতে পেনাল্টির কারন হয়ে দাড়ায়।
তাহলে শুরু করা যাক-
Note: সবসময় একাধিক কী-ওয়ার্ড নিয়ে আর্টিকেল লেখা থেকে বিরত থাকুন।না হলে আমও যাবে ছালাও যাবে।
প্রথমেই যেটা করতে হবে
কী-ওয়ার্ড রিসার্স করে সর্বোচ্চ profitable একটি কী-ওয়ার্ড সিলেক্ট করুন যে টপিকের উপর আর্টিকেল লিখবেন সেটা নিয়ে ।আর সে অনুযায়ী সেই কী-ওয়ার্ডে ১ম পেইজে রাঙ্ক করার জন্য একটি রোডম্যাপ তৈরী করে নিন।
দ্বিতীয় ধাপের কাজগুলা হবেঃ
১)মেটা টাইটেল ও ডেস্ক্রপশনে তো অব্যশ্যই রাখতে হবে আর সেটি যেন টেকনিক্যালী রাখা হয়
২)টাইটেলে কী-ওয়ার্ডটি রাখুন
৩)Permalink এ কী-ওয়ার্ডটি রাখুন এবং পারমালিঙ্কটি যতটা পারুন ছোট রাখুন
ইমেজগুলা যেভাবে ব্যবহার করবেন।
১। Altertag এ সরাসরি কী-ওয়ার্ডটি রাখুন
.২।কোন ক্রমেই কপিরাইট ইমেজ ব্যবহার করবেন না।
.৩।প্রত্যেকটা ইমেজেই Altertag,img title ও img description এ আপনার কী-ওয়ার্ডটি রাখুন।
.৪/ইমেজ টাইটেলে কী-ওয়ার্ডের আগে পিছে অব্যশ্যই কিছু দিবেন।
৫।আর, ইমেজ ডেস্ক্রিপশনে ৭-১৫ ওয়ার্ড থাকবে যেখানে কী-ওয়ার্ডটি টেকনিক্যালী দিয়ে দিতে হবে।
Note: যদি ইমেজ টাইটেল ও ডেসক্রিপশনে সরাসরি কী-ওয়ার্ড দেন ও আগে পিছে কিছু না দেন তাহলে সেটা এসইও ফ্রেন্ডলী হবে না।ফল আরো বিপরীত হতে পারে।
উপরের কথাগুলো হলো একটি আর্টিকেলের ব্যাসিক এসইও অপ্টিমাইজেশন এর কথা।এখন আমরা আর্টিকেলের Body সেকশনের কিছু Advance ব্যাপার নিয়ে কথা বলব যেগুলা এসইওতে খুব গুরুত্বপূর্ন।
১) অনেকেই মনে করে আর্টিকেলের ভিতরে The,and,therefore,so ইত্যাদি শব্দগুলো ও mix-language যত কম ব্যবহার করা যায় ততই ভালো।না; একটি আর্টিকেল কে যথাযথভাবে present করার জন্য,reader কে সুন্দর-সহজভাবে বুঝানোর জন্য আপনি যা করা দরকার করবেন।কোন সমস্যা নেই।কারন,গুগল নিজেই বলে,
“তোমার আর্টিকেলটি গুগল এর জন্য নয় বরং ইউসারের জন্য যেন হয়”
গুগল এর এই সেজেসন্সগুলো নিয়ে আমাদের আর্টিকেলটি পড়ুন এখানে
আর্টিকেলটি গুগল এর জন্য নাকি ইউসারের জন্য এটা বুঝার ক্ষমতা এই ২০১৮ সালের গুগলের রয়েছে।So, নিঃশ্চিন্তে মনের মতো করে লিখুন।তবে আরো যে ব্যাপারগুলো একটু খেয়াল রাখতে হবে-
২) আর্টিকেলের ভিতর বারবার জোরপূর্বক কী-ওয়ার্ড দিবেন নাঃ
আর্টিকেলের ভিতর আপনার কী-ওয়ার্ডটি বারবার ব্যবহার না করে বরং সে কী-ওয়ার্ডের Synonyms, related word ইত্যাদি ব্যবহার করবেন।
যেমনঃ আপনার কী-ওয়ার্ড যদি হয় CCTV camera in Bangladesh
তাহলে আপনি সেখানে CCTV camera price in Bangladesh, security camera in Bangladesh কিংবা Closed-circuit television in BD এই গুলা ইউস করবেন।
2018 তে গুগল এর রোবট অনেক স্মার্ট।তারা এই ব্যাপারগুলো সহজেই বুঝে যাবে।
কীভাবে বুঝবে?তারা কি মানুষ নাকি।
তাহলে গুগল রোবট আপনার মুখের কথা কেমনে বুঝে বা মুহূর্তের মধ্যে একভাষাকে আরেক ভাষায় convert ই বা করে কেমনে?অনেকেরই Confusion লাগতে পারে…সেইজন্যই আরকি একটু বলা।
৩) প্রয়োজন মতো Heading tag ব্যবহার করবেন।
Heading tag এ আপনার কী-ওয়ার্ডটি রাখুন।তবে জোরকরে কোন Heading tag ব্যবহার করবেন না।
আর H1 tag তো টাইটেলেই রয়েছে।তাই আলাদা করে H1 tag দেওয়ার কোন দরকার নেই।গুগল সাজেস্ট করে,একটা আর্টিকেলে একটাই H1 tag রাখতে।
আপনি ট্যাকনিক্যালী কী-ওয়ার্ডটি h2 ও h3 ট্যাগ হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।আর এটাই best।
৪) আপনার কী-ওয়ার্ডগুলোর দুরত্ব বজায় রাখুন
যেমন,আপনি ১ম প্যারাগ্রাফের প্রথম দিকে একবার কী-ওয়ার্ডটি রাখুন আর শেষের দিকে ঐ কী-ওয়ার্ডের synonyms একবার রাখুন।
এখন দ্বিতীয় প্যারাগ্রাফের প্রথম দিকেই কী-ওয়ার্ডটির একটু ছোয়া লাগিয়ে দিন মানে relative একটা ওয়ার্ড ব্যবহার করুন।আর শেষের দিকে প্রয়োজন মোতাবেক রাখার চেস্টা করুন।
আপনার ব্যাসিক এসইও কাজ শেষ।
এতটুকুতেই গুগল রোবট আপনার আর্টিকেলটি কী-নিয়ে লেখা সেটা বুঝে গেছে এবং এটাকে আলাদা একটা গুরুত্বও দিবে ইংশাল্লাহ।
এখন পরবর্তী প্যারাগুলো আপনার ইচ্ছামতো,ভিজিটরকে আকৃষ্ট করার জন্য যেভাবে দরকার সেভাবে লিখুন।
আবার শেষের প্যারাতে ঐ কী-ওয়ার্ডের একটু প্রাধান্য রাখুন।
মনে রাখবেনঃ সবকিছুই লিখবেন আপনার ভিজিটরের জন্য।আর্টিকেল এ সরাসরি জোরকরে কোন অবস্থাতেই কী-ওয়ার্ড দিবেন না।একটু টেকনিক্যালী উপরের Instruction মতো কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করবেন।
৫) কী-ওয়ার্ডকে যথাযথভাবে সাপোর্ট দিন
যেমন, আপনার কী-ওয়ার্ড যদি হয় education of Dhaka
তাহলে মূল আর্টিকেলের বিভিন্ন জায়গায় নির্দিষ্ট একটি দুরত্ব বজায় রেখে Dhaka University, SSC examination, Bangladesh Government ইত্যাদি very related শব্দ ব্যবহার করবেন।
কারন,education of Dhaka এই কথাটার সাথে কিন্তু উপরোক্ত তিনটা শব্দের নিভীর একটা সম্পর্ক রয়েছে যেটা এই কী-ওয়ার্ডটাকে দারুনভাবে সাপোর্ট দিবে।
কিন্তু আপনি যদি এখানে Belgium, motor cycle ইত্যাদি totally irrelevant কথাগুলো ব্যবহার করেন তাহলে সেটা কী এসইও ফ্রেন্ডলী হলো?
এমনটা করবেন না।
এই ছিল একটা এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল রাইটিং এর সাজেস্টেড বিষয়াবলী।
এবার কিছু প্রয়োজনীয় কথা বলে শেষ করে দিচ্ছি।
একটা এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেলে মোটামোটি ১৮০০+ ওয়ার্ড হওয়া দরকার।
Grammatical বা Spelling error রাখবেন না।প্রয়োজনে grammarly add-ons টি আপনার browser এ ইনস্টল করে নিন।
Grammarly নিয়ে আরো জানুন এখানে
আপনার মেইন ওয়েবসাইটে কখোনোই আর্টিকেল স্পিনার বা রি-রাইটার দিয়ে বানানো আর্টিকেল পাবলিশ করবেন না।
3rd পার্টি টুলগুলা যতই ইউনিকনেস দেখাক না কেন,গুগল এর system কিন্তু ভিন্ন।গুগল সরাসরি এসব অটোমেটিক জেনারেট আর্টিকেল ইউস করতে নিষেধ করেছে।
গুগলের মতো একটা জায়ান্টের কাছে এটা ধরা কিন্তু খুব একটা ট্রাপ না।তবে ,স্পিনার/রি-রাইটার article submission/guest posting এ ব্যবহার করা যেতে পারে।
এই ব্যাপারগুলো খেয়াল করে ও রোলসগুলো ফলো আপনি সহজেই একটি এসইও ফ্রেন্ডলী আর্টিকেল তৈরী করতে পারবেন যেটা পর্যাপ্ত ব্যাকলিঙ্ক পেলে সার্চ ইঞ্জিনে ভালো পজিশনে রাঙ্ক করবে ইংশাল্লাহ।